1. sjranabd1@gmail.com : S Jewel : S Jewel
  2. solaimanjewel@hotmail.com : kalakkhor :
এটোম বোমা আবিষ্কারের পিছনের ইতিহাস - কালাক্ষর
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:৩০ অপরাহ্ন

এটোম বোমা আবিষ্কারের পিছনের ইতিহাস

  • Update Time : বুধবার, ২ জুন, ২০২১

সৃজন শীল ব্লগ “কালাক্ষর” এ আজ আমরা মানবতা ধ্বংসকারী এমন এক মানব সৃষ্ট অস্ত্রের বিষয়ে আলোচনা করবো। যা দিয়ে চোখের নিমিষে একটি বড় শহর ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া যায়। কয়েক সেকেন্ডের ভিতর বিলিন করে দেওয়া যায় কোন শহরের সকল প্রানের অস্তিত্ব। পাঠক আমার ধারণা আপনারা এতক্ষনে বুঝতে পেরেছেন আমি এটোম বোম ( Atom Bomb)  এর  কথা বলতে যাচ্ছি। এক গবেষণায় বলা হয়েছে পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত আবিস্কার করা ১৩ হাজার এটোম বোম ( Atom Bomb) দিয়ে আমাদের এই সুন্দর পৃথিবী সারে সাত বার ধ্বংস করা যাবে। বুঝতেই পারছেন এর কি মজিজা।  

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবার পর, তৎকালীন বিশ্বের দুই সেরা বিজ্ঞানী ‘হাইজেনবার্গ’ ও ‘ওপেনহাইমার’ -এর ভিতর চলছিল আরেক অদৃশ্য যুদ্ধ। এই দুই বিজ্ঞানীর কাঁধে দায়িত্ব দিয়ে সে সময় জার্মানী ও যুক্তরাষ্ট্র খুঁজতে থাকে ‘এটম বোমা’ বা ‘পারমাণবিক বোমা’ তৈরীর কৌশল। বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গের নেতৃত্বে জার্মানরা হয়তো যেকোনো মুহূর্তে ‘পারমানবিক বোমা’ আবিষ্কার করে ফেলতে পারে এই ভয়ে আমেরিকানরা খুব শংকিত ছিল। কারণ হাইজেনবার্গের নেতৃত্বে জার্মানরা এটোম বোম ( Atom Bomb)  বানাবার প্রজেক্ট অনেক আগেই শুরু করেছিল। কিন্তু জার্মান দের কিছু ভুলের কারণে পরবর্তীতে আমেরিকানরাই সর্বপ্রথম ‘পারমাণবিক বোমা’ বানাবার কৌশল আবিস্কার করে পৃথিবীতে যুদ্ধের ইতিহাসকে আমূলে বদলে দেয়।

মানব ইতিহাসের সবচাইতে শক্তিশালী মারণাস্ত্র ‘পারমানবিক বোমা (nuclear bomb) বা এটোম বোম ( Atom Bomb) ’ কিভাবে আবিষ্কার হল, তা জানাবো আমাদের আজকের প্রতিবেদনে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষ হবার পর প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের পরাজিত দেশ জার্মানির তরুণ বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ পদার্থবিজ্ঞানের নতুন শাখা কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে তার গবেষণার কাজ শুরু করেন। কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা হচ্ছে কোন বস্তুর সবচেয়ে ক্ষুদ্র একক পরমাণুর পদার্থবিদ্যা। এর ধারাবিহিকতায় ১৯২৫ সালে হাইজেনবার্গ একটি পরমাণুর ভেতরের ক্ষুদ্র কণা ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন -এর আচরণ সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ লেখেন। বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ তার এই গবেষণামূলক প্রবন্ধে  অতি পারমাণবিক অবস্থা সম্পর্কে বর্ণনা করা একটি তত্ত্ব এর কথা সবার সামনে আনেন, যা ‘হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাবাদ’ নামে পরিচিত। আর এই জন্য ১৯৩২ সালে মাত্র ৩১ বছর বয়সে কোয়ান্টাম মেকানিক্সে বিশেষ অবদানের জন্য বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ কে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। ঠিক একই সময়ে জার্মানির রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় হিটলারের নেতৃত্বে আবির্ভূত হচ্ছিল এক নতুন শক্তির, যার নাম ‘দ্যা ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট পার্টি’ বা ‘নাৎসী বাহিনী’। হাইজেনবার্গের নেতৃত্বে ১৯৩৯ সালে জার্মান বিজ্ঞানীরা ইউরেনিয়ামের একটি পরমাণুকে বিভক্ত করে কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার তত্ত্বকে বাস্তবে রূপ দেন। নতুন ধরনের এই পারমাণবিক বিক্রিয়ায় পদার্থের আগের সব রাসায়নিক বিক্রিয়ার চেয়ে পাঁচ কোটি গুণ বেশি শক্তি উৎপাদন করা সম্ভবপর  হয়। বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ তার গবেষণা নিয়ে যখন ব্যাস্ত সময় পার করছেন ঠিক তখন  জার্মানি থেকে পাঁচ হাজার মাইল দূরে আমেরিকায় বসে আর এক বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গের গবেষণায় অনুপ্রাণিত হয়ে এটোম বোমা বানাবার ছক কষছেন। কারণ হাইজেনবার্গের সমসায়িক এই তাত্ত্বিক পদার্থবিদ রবার্ট ওপেনহাইমার – এতদিনে বুঝে ফেলেছেন পৃথিবীতে পারমাণবিক বোমা খুব শীঘ্রই বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে।

এটোম বোমা

জার্মান বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ। ছবি – উইকিপিডিয়া

১৯৩৯ সালের ডিসেম্বর মাসে বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ তার দেশের রাস্ট ক্ষমতায় আসীন নাৎসী বাহিনীর প্রধান হিটলারকে রেডিও এক্টিভ মৌল থেকে প্রাপ্ত অচিন্তনীয় শক্তি কাজে লাগিয়ে এটোম বোম ( Atom Bomb)  তৈরীর প্রস্তাব দেন । সে সময় ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের ডাঙ্কা বাজিয়ে হিটলার পোল্যান্ড দখল করে নেয়। তখন ফ্রান্স আর ইংল্যান্ডও জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। নাৎসীরা তখন চাচ্ছিল অতিদ্রুত ইউরোপের অন্যান্য অংশ দখল করে নিতে, এবং সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হাইজেনবার্গের নেতৃত্বে চলতে থাকে ভয়ঙ্কর এটম বোমা ( Atom Bomb)  তৈরীর কাজ। নাৎসীরা বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ কে নিয়ে গর্ব করতো। তাই তারা হাইগেনবার্গের আবিস্কার করা এটম বম ( Atom Bomb)  কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় মনে করে। বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গও নাৎসীদের প্রত্যাশা পূরণের উদ্দেশ্যে যথা সাধ্য চেষ্টা করে যান। হাইজেনবার্গ জার্মানীর লিপজিগ -এ অবস্থিত পরীক্ষাগার টিতে নিরলস কাজ করে যান। জার্মানীতে যখন এটোম বোমা ( Atom Bomb)বানাবার এই অবস্থা অন্যদিকে আমেরিকাতে পারমাণবিক রহস্য উন্মোচনের কাজ বলতে গেলে তখনও শুরু করাই হয়নি। ঠিক এমন সময়ে ঘটে এক ঘটনা। জাতীতে জার্মান কিন্তু ধর্মে ইহুদি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পদার্থবিদ আলবার্ট আইনস্টাইন ঐ সময় আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট -কে একটি চিঠি লিখে বলেন যে, বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গের নেতৃত্বে জার্মানরা এক সুপার ওয়েপন তৈরী করছে, যে ওয়েপন দিয়ে নিমিষেই গোটা একটি শহরকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া যায়।

বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের সেই ইতিহাস বদল কারী চিঠি প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেন। বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের সেই চিঠি পাবার সাথে সাথেই শুরু হয়ে যায় এটোম বোমা ( Atom Bomb) বানাবার জন্য  আমেরিকানদের পাল্টা গবেষণার তোরজোড়। ১৯৪১ সালের অক্টোবর মাসে আমেরিকান রা শুরু করে তাদের সর্বকালের সবচেয়ে গোপন প্রকল্প ‘প্রজেক্ট ম্যানহাটান’। আমেরিকাতে তৎকালীন সময়ে পারমাণবিক বোমা সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো ধারণা ছিল বিজ্ঞানী ওপেনহাইমারের। তাই আমেরিকান রা বিজ্ঞানী ওপেনহাইমারকে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সেই প্রকল্পের পরিচালকে গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমেরিকাতে ১৯৪৩ সালের মার্চ মাসে নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের লস আলামাস শহরে তৎকালীন সময়ের সেরা বিজ্ঞানীদের নিয়ে ওপেনহাইমার তার উপর বর্তিত  ‘প্রজেক্ট ম্যানহাটান’ কাজ শুরু করেন।

এটোম বোমা

বিজ্ঞানী ওপেন হাইমার। ইমেজ সোর্স – উইকিপিডিয়া

এদিকে জার্মানদের ১৯৪১ সালের আগে মাত্র একটি পরমাণু ভাঙ্গন সম্ভবপর হলেও, একসাথে লক্ষ লক্ষ পরমাণুর ভাঙ্গন তখনও সম্ভব হয়নি। এটোম বোম ( Atom Bomb) এর মুল সর্ত হল একসাথে লক্ষ লক্ষ পরমানুর ভাঙন। কারন হয়নি। এটোম বোম ( Atom Bomb) তৈরি হয় এক সাথে লক্ষ লক্ষ পরমানুর ভাঙ্গা হলে এর গাণিতিক চক্রবৃদ্ধির হারে যে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপত্তি হয় তা দিয়েই । হাইজেনবার্গ প্রায় সাফল্যের দার প্রান্তে পৌঁছান কিন্তু একটি পরিক্ষা করতে গিয়ে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। হাইজেনবার্গ ও তার সহকর্মীরা সেই বিস্ফোরণ স্থল থেকে কোনমতে প্রাণ বাঁচিয়ে ফিরে আসেন। হাইজেনবার্গের সমস্ত কাজ ও অগ্রগতিসহ লিপজিগের সেই ল্যাবরেটরিটি সেই বিস্ফোরণে একেবারে ধুলিস্যাৎ হয়ে যায়। আর এই বিস্ফোরণের খবর পেয়ে আমেরিকানরা ধরে নেয় যে, জার্মানরা নিশ্চয়ই এটম বোমা তৈরি করে ফেলেছে আর বিস্ফোরণ টি এটোম বোমা পরিক্ষার জন্য ঘটিয়েছে। হাইজেনবার্গের ল্যাবরেটরিতে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের ঘটনাকে জার্মানির সাফল্য ভেবে ভুল করা খবরটাই আমেরিকানদের যত দ্রুত সম্ভব এটোম বোমা বানাবার জন্য তাগিদ দিচ্ছিল। এমরেকান দের যখন এই অবস্থা তখন জার্মানীতে ঘটে তার উল্টো ঘটনা  ল্যাবরেটরী ও গবেষণা সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার পর হাইজেনবার্গ প্রচন্ড মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। কারণ নাৎসীরা তাকে ততক্ষনে জানিয়ে দিয়েছে, হাইজেনবার্গের এতদিনের এই প্রকল্প অযথা সময় আর অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।

১৯৪৫ সালের শুরুর দিকে জার্মানির প্রায় সব ফ্রন্ট একের পর এক হেরে যেতে থাকে তাতে তাদের দুর্দশা চরম অবস্থায় গিয়ে পৌঁছায়। সেই সময় জার্মানীর রাজধানী বার্লিনে বৃষ্টির মতো বোমাবর্ষণ শুরু করে মিত্রবাহিনী এবং একই সাথে সোভিয়েত বাহিনী জার্মানির সীমানায় চলে আসে। শুরু হয় জার্মানীর ভিতরে আক্রমন। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৪৫ সালের মে মাসের ৩ তারিখে হাইজেনবার্গসহ জার্মানির শীর্ষ বিজ্ঞানীরা মিত্র বাহিনীর হাতে আটক হন। মিত্রবাহিনী জার্মানীতে গনহত্যা চালালেও তৎকালীন পৃথিবীর অন্যতম সেরা পদার্থবিদ হওয়ার কারণে হাইজেনবার্গকে হত্যা না করে কড়া নজরদারির মধ্যে ইংল্যান্ডে পাঠিয়ে দেয়। প্রতিদ্দন্দি হাইজেনবার্গের যখন এই অবস্থা ঠিকতখনই সবরকম সরকারী পৃষ্টপোষকতায় ওপেনহাইমার সাফল্যের একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৪৫ সালের জুলাই মাসের তারা তৈরি করে ফেলেন তিনটি পারমানবিক বোমা বা এটোম বোমা। যার মধ্যে একটি হল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ নিউক্লিয়ার ফিশন টাইপ, যার সাংকেতিক নাম দেওয়া হয় ‘লিটল বয়’। এবং অপর দুইটি হল প্লুটোনিয়াম বেইজ্ড ইমপ্লোশন এটম বোমা। যার একটির নাম দেওয়া হয় ‘গ্যাজেট’ এবং অপরটির নাম দেওয়া হয় ‘ফ্যাটম্যান’।

তিন বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম আর দুই বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে পারমানবিক বোমা বানানো তো শেষ এবার  তৈরি কৃত এটম বোমার ক্ষমতা পরীক্ষার পালা। ‘ট্রিনিটি টেস্ট’ নামে পরিচিত ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বোমার সেই পরীক্ষা টিও তারা করে ফেলে ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই।  ট্রিনিটি টেস্টের গ্যাজেট নামক বোমাটি এত শক্তিশালী ছিল যে, গ্যাজেটের বিস্ফোরণস্থলের তাপমাত্রা সূর্যপৃষ্ঠের তাপমাত্রার চেয়ে দশ হাজার গুণ বেশি হয়ে গিয়েছিল। আর তীব্রতার দিক দিয়ে বিশ হাজার টন ডিনামাইট বিস্ফোরকের সমতুল্য ছিল।

এর পরের ইতিহাস আমরা সবাই জানি, ট্রিনিটি টেস্টের ঠিক তিন সপ্তাহ পর আগস্টের ৬ ও ৮ তারিখ অবশিষ্ট দু’টি পারমাণবিক বোমা জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে ফেলা হয়। যা ছিল মানব ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বোমার আক্রমণ। যদি ও বলা হয়ে থাকে,জাপানে পারমানবিক এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতি টানা। কিন্তু এইটা পরবর্তিতে ভুল প্রমানিত হয়। মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের এটোম বোমা হামলার উদ্দেশ্য ছিল নিজেদের ক্ষমতার কথা বিশ্ববাসীকে জানান দেওয়া। আর আমেরিকার এই নৃশংস হামলায় জাপানের বিশ হাজার সৈন্যসহ দুই লক্ষ ছাব্বিশ হাজার জাপানী মৃত্যুবরণ করে। অসহ্য পারমানবিক বিকিরণে ভুগে হামলার পরবর্তী চার মাসে মারা যায় আরো বহু মানুষ।

এটম বোমার পরস্পর বিরোধী একটি ব্যাপার হচ্ছে, জাপানের দুই লক্ষাধিক নিরাপরাধ মানুষ এতে মারা গেলেও রক্তক্ষয়ী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পুরোপুরি থেমে যায়। জাপান পারমাণবিক হামলার ৬ দিন পরেই আত্মসমর্পণ করার মধ্য দিয়ে সূচিত হয় ধ্বংসযজ্ঞের শেষের শুরু। হাইজেনবার্গ ও ওপেনহাইমার দুইজনেই এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী। আবার একই সাথে চরম অমানবিক যুদ্ধ বন্ধ করার কান্ডারী হিসেবেও তারা সফল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
©2021 All rights reserved © kalakkhor.com
Customized By BlogTheme
error: Content is protected !!